
একটি শঙ্খ
নীরবে বাজে
মহাজন অরণ্যে
কোলাহল মাঝে
আসনখানি চিত্তে
নিঃশব্দে বিরাজে।
ক্ষণিকা মূর্তি
কে জানত
বাসর ঘর, তত্ত্ব
সংসার ভুবনে অমৃত ভক্তি
কল্যাণ প্রেমে তৃপ্তি
সর্বদুঃখ করে ক্ষমা
দাহহীন সুখে দীপ্তি।
নারীর পাষাণ ভার
ক্ষতচিহ্ন অলংকার
শত তুচ্ছ সুখ-দুঃখ ঘিরে
প্রতীক্ষা বর্ষ বর্ষ ধরে
পুষ্পের কলি
ফুটাবার তরে।
ধূলার খেলাঘর
খেলার মাঝে গুঞ্জনমুখর
মহানন্দ মৃত্তিকার ঘর
অসময়ের ছুটে সময়
ফিরে দেখি
মনে বাসি ভয়।
ভারিলাম যে সাজি
মুক্তিরূপে দীপশিখা আজি
পথে কারা যায় লয়ে
ধুলির ঘরে ছিল যে জড়ায়ে
শূন্য নহে কাল
জীবন অর্ঘ্য সপিনু
পূজার থাল।
সত্য বাক্য জ্বলে নিত্য যেথা
অন্তর হতে অন্তরে
স্নেহ প্রীতি লতা
ক্ষণিকা নারী হৃদি শ্রোতা
মন্দ থাকার আনন্দ কত
হাসির ভণিতা শত।
কি লইলে পুরস্কার
জীবন, পেশন, অশ্রু ভার
আহুতি অলংকার।