মনে পড়ে রিয়া গোপ ফুলের মতো মেয়ে, কার অসুখে মরতে হলো মারল তারে কে? ছয় বছরের ছোট্ট শিশু ছোট্ট পাখির মতো, কার অভিশাপে মরতে হলো, কার বুলেটে ক্ষত? বাগানজুড়ে কত
ভালোবাসি লিখতে কবিতা আমির হোসেন আমি কবি আল মাহমুদও নই, নই রবি ঠাকুর মাইকেল মধুসূদন দত্তের কথা, না হয় বাদই যাক! আবার বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম সে তো অনেক
কল্পনার কুটিরে বিন্দু উষ্ণতা করেছিলো ভর বৃষ্টি তে ভিজে ভিজে কেঁপে উঠেছিলে থরথর! এডিস মশার কামড় শেষমেষ এলো ডেঙ্গু জ্বর বিছানা সঙ্গী হলো ১দিন বা ১৪৪০ মিনিট পর। খুঁজে খুঁজে
আকাশ জুড়ে মায়াবী চাঁদ, বর্ষার জলে ভেজা রাত। বুদ্ধের বাণী ছড়ায় আলো, মন হোক শান্তি ভালো আষাঢ়ী পূর্ণিমার এই শুভ ক্ষণে, বোধিবৃক্ষের তলায় প্রথম ধর্মচক্র। পদ্ম ফোটে পূন্যময় মনে মুছে
অচিনপুরের পথে পথে জোনাক জ্বলে, নাম না জানা ফুলের গন্ধ ভেসে চলে। নদীর জলে চাঁদের আলো খেলা করে, বাতাসে শুধু শান্তির সুর ঝরে। সেখানে নেই হিংসা, নেই কোনো কোলাহল, মানুষগুলো
যেন বহুকাল পরে ফুটল গোলাপ, কেটে গেছে কতকাল, হয়নি আলাপ। হলো যে প্রেম দুজনের হৃদয়ে, অহনিশ ভালোবেসে যাই, তোমায় ছুঁয়ে। হারাব দিগন্তে তোমায় নিয়ে। আজ মন হারালো, তুমি কোথায়? তুমি
আমার খোকা লক্ষ্মী সোনা ডেকে আমায় কয় । মোবাইল ফোনে দেখলে কার্টুন চোখের ক্ষতি হয় । মিষ্টি খুকু সন্ধ্যা রাতে ঘুমিয়ে পড়ে আগে । মোরগ ডাকা ভোরবেলাতে খলবলিয়ে জাগে
হলো না ভালোবাসা! কবি মুসাফির(আমির হোসেন) ভালোবাসার নীল সাগরে আমি হলাম – এক লাল পদ্ম একান্তে, তবে আজ মনে প্রশ্ন ঘুরে ফিরে! হয়তো! ভালবাসায় ছিলো তোমার কিছু না জানা –
ট্যাংরা মাছের লাফালাফি পুঁটি মাছের গান বোয়াল মাছের দাঁড়ি ধরে সরপুঁটি দেয় টান দারর্কিনা কৈ হল্লা করে করল শুরু খেলা মাগুর মাছ ছুটে এলো বসলো মাছের মেলা। রুই-কাতলার গল্প শুনতে
কবিতা-হয়তো ভালোবাসা অপূর্ণ থেকে যাবে! /// আমির হোসেন /// জিবনের এই রং বেরং এর রং তামাশা গুলো ভালোমন্দ আশা-ভরসা ভালোবাসা, ঘুরছে আমাদের চারিপাশে ঘড়ির কাঁটার বেশে, এ যাবে ও আসবে,