বানভাসি মানুষের ব্যথায় কাঁদে আকাশ প্রলয় হাঁকে পাহাড় ধসে কান্নার ঢল সীমান্তে নিয়তির অমোঘ দেয়ালে মাথা ঠুকে অজস্র মানুষ ধেয়ে আসে রাজধানীর পাথর-বেদীতে দীর্ঘনিঃশ্বাস। দ্রুতগামী ট্রেনের কঠিন ইস্পাতে জীবনের চাকা
সুখেরও লাগিয়া বিহঙ্গ মোর, মেলিয়া রঙিন পাখা। ছুটিয়া যায় আপনও গতিতে, বুঝিয়া নাহি বাধা। হারাইয়া যায় প্রবলও পবনে, মুক্ত গগনও গহিনে। হৃদয়ও ভাঙ্গিয়া চলিয়া যায়, যাতনা দিয়া অন্তরে। হিয়ারও মাঝে
আমার ইচ্ছের বালুচরে আজকাল আর পড়ে না পায়ের ছাপ তাইতো সেখানে এখন জন্মায় অবুঝ ঘাস যেন পরিত্যক্ত কোন স্বপ্নের জীবাশ্মের আবাস। বিবাগী এই মনটা বলে ডানাহীন পাখিরও একদিন আকাশ হয়
গ্রীস্মকালে নিত্যে মধু মাসে ফল পাকে যে গাছে, সজীব ভাইয়া গাছের ডালে ফলের পিছে পিছে। আম কাঁঠালে সুগন্ধি ছড়ায় স্বাদে ভরা কদবেল, ফলের পিছু ছাড়েনা সজীব খাবে যে নারকেল। সকাল
নিজেকে বললাম আয়নায় অনেকবার দেখলাম বয়সটা বিকালের দিকে যাচ্ছে , গোধূলি হাতছানি দিয়ে ডাকছে । চোখের নিচে কালি জমেছে , এরপরেও নতুন করে প্রেম এসেছে। আমি প্রেমে পড়েছি , তাও
তুমি দূর থেকে আর-ও দূরে সরে যাও সরে যায় তোমার অবয়ব, আলোর শরীর আমি দেখি না, দেখি দীর্ঘ ছায়া। অসংখ্য ছায়ায় সাজানো জীবনের গল্প। সংখ্যার পর সংখ্যা বসাই যোগ আর
কেনো এমন হবে? //আমির হোসেন চৌধুরী // এই যে রাজকীয় রাজপ্রাসাদগুলো তা যে আমার নয়! সময়ের বেড়াজালে আজ বেড়ানো যে মানা- দুই হাত বন্ধি,তাতে নেই যে তালা- কথা দিয়েছি, সে
পরলে গলায় শাপলা লতার হার মন যে আমার বাঁধ মানে না আর চড়ুই-ভাতি নাটাই ঘুড়ির টানে মন যে আমার হারায় ক্ষণে ক্ষণে। পথের ধারে ঘাসফুলেরা হাসে আকাশ গাঙে মেঘের ভেলা
আমি কোন কাব্য হতে চাইনাচাই না হতে কোন কলমের বার্তাথাকুক না হয় –আনকোরা ডায়েরি হয়েকি হবে ভেবে যেখানেখরখুটো টুকুও থাকে না সঞ্চয়ে?শুধু মিছে এত আর-কি ক্ষতি বলোতো ভালোবাসার?না হয় অর্বাচীন
আজ এই বৃষ্টির রিমঝিম ছন্দে, নাচিছে ময়ূর তাই নব আনন্দে। দূরের পাহাড় হলো সবুজ যৌবনা মনটা আমার আজ হলো আনমনা। তোমার আসার আজ খবর শুনি নূতন আশায় তাই দিন যে