মহাজাগতিক বলয়ে তুমি চিন্তায় বন্দী আমি। আমার অঙ্গন আঁধার হলো বনে। জীবনে আসা দুঃসময় গুলি সর্বদা জানি আমাদের কঠিন শিক্ষা দিয়ে যায়। সময় আজ থমকে হায় অন্ধকার হয়েছে গাঢ় হতে
প্রত্যাশার আবির ছোঁয়া অতঃপর নিমগ্ন স্বপ্ন বিলাসী শহরে অবিশ্রান্ত স্বপ্ন সুখের দোলনায় দোল খাওয়া অতিক্লান্ত যাতনার প্রহর তারপড় লেখা হয় ব্যর্থ ইতিহাস, এবার খুঁজে ফেরা সময়ের সারথিদের বিবর্ণ পাঠ
হাতের মুঠোয় মুঠোফোন আজ খুলে প্রেমের দ্বার, মিথ্যা মায়ার জালে পড়ে বাড়ে মনের ভার। অচেনা জন আপন সাজে মিষ্টি কথার ছলে, স্বপ্ন দিয়ে মন ভেঙে দেয় অশ্রু ঝরে জলে। অনলাইনের
বেখেয়ালি এলোমেলো, পাগল এ মন ক্ষণে ক্ষণে বেসামাল, বেগতি জীবন সব খুঁয়ে একা আমি, বসে হারাধন কেবল দু-চোখ জুড়ে, রয় দুঃস্বপন। হৃদয় কে প্রশ্ন করি, সৌভাগ্য কী ধন? কত সখী
কলম আমার কাটলো না দাগ যখন তোমার মনে কোকিল এসে গেলো ফিরে ডাকলো না আর বনে! জন্মালো না কচি পাতা গাছের শাখে শাখে প্রবল স্রোতে বইলো না জল জীবন নদীর
মাতৃভূমি আহা বাংলা তুমি, মাটির সাথে আত্মার টান, তাইতো দিবানিশি গেয়ে চলি এ জীবনে তোমার-ই জয়গান। এই দেশ হলো মনের কোনে চলা উঁকিঝুঁকি চিত্রিত আশা-ভাষা, তুমি-ই সত্য সাধ মায়া-মমত্বে ঠাঁসা
আমি তোমার হেঁটে যাওয়ার রাস্তা বাঁক নেওয়া এক অন্য রাস্তার দেহ… চাইলে তুমি আসতে পার একা শর্তবিহীন ধূসর ধুলো ছুঁতে না-হয় যদি হৃদয়ে সন্দেহ… ডিলিট বাটন হাতেই থাকে সবার মুছতে
পথের মাঝে পথ খুঁজ যাই নতুন আলোর মাঝে পথ হারানোর ভয় নেই আর সকাল, দুপুর, সাঁঝে। সুখ বেচে যাই দুঃখের হাটে নেবেন নাকি ভাই? দাম যে বেশি নয় মোটেও কিছুই
১. তারে না রে না একবার যারে যমে ধরে তারে ছাড়ে না। ২. এই যে প্রতিপত্তি বিদায় বেলা সবই থাকে যায় না একরত্তি। ৩. খাই খাই স্বভাব যার চোখের ক্ষুধায়
দিনমজুরদের দিবানিশি ব্যস্ততাবেঁচে থাকার আকুতিতে।কান্না ভাসে আকাশ-বাতাসেক্ষুধার কষ্টে জর্জরিত শ্রমজীবী। ছোট্ট শিশু পথে ঘুরে ক্ষুধার তাড়নায়কেউ নেয় না তুলে বুকে মমতায়।দুমুঠো খাবারের আশায় শ্রমিকমাতাছুটে চলে ইটভাটায়। রক্ত-ঘামের সতেজ কণায়লুকিয়ে থাকে