দিনমজুরদের দিবানিশি ব্যস্ততাবেঁচে থাকার আকুতিতে।কান্না ভাসে আকাশ-বাতাসেক্ষুধার কষ্টে জর্জরিত শ্রমজীবী। ছোট্ট শিশু পথে ঘুরে ক্ষুধার তাড়নায়কেউ নেয় না তুলে বুকে মমতায়।দুমুঠো খাবারের আশায় শ্রমিকমাতাছুটে চলে ইটভাটায়। রক্ত-ঘামের সতেজ কণায়লুকিয়ে থাকে
সমাজের সভ্য ব্যক্তি সমাজ ধ্বংস করছে নেশায়। ভবিষ্যতের নিষ্পাপ শিশুরা কোন আলোতে বাঁচবে, যদি বিষের কাঁটায় বিষাক্ত হয় এই সমাজের ছায়ায়। আমি বাঁচতে চাই আমরা বাঁচতে চাই। যারা টাকার লোভে
আমার সন্ধ্যাতারা তুমি //// আমির হোসেন চৌধুরী তুমি আমার নীল আকাশের নীলাঞ্জনা নভোমন্ডলের ধ্রুবতারা তুমি, জ্বলতে থাকো নিরবধি অন্তরীক্ষে আমার, তুমি আমার ভালোবাসার- রজনীগন্ধা।। আর তুমি আমার-! আমার হৃদয় মাঝারে-
আমি ভেতরে ভেতরে কাঁপছি,একটা ঘর যার দেয়াল নড়ে যাচ্ছে—ভরসা ছিল, একটা পুরনো জামার মতো,গায়ে লেগে ছিল বছরের পর বছর। আজ দেখি সেলাই খুলে যাচ্ছে,সুতো ঝুলছে হাতে। কে বলেছিল সত্য টিকে
কেউ জানে না /রেজাউদ্দিন স্টালিন বন্ধু হবো-বন্ধু হলো স্বর্ণঈগল ঈগল হলে আকাশ দেবে গাছের ছায়া আকাশগাছে সূর্য ধরে, সূর্য পেড়ে রাত্রি খাবে কমলালেবু ক্ষুধার্ত চাঁদ এদিক ওদিক ঘুরতে থাকে
মনোভূমে ঝড়/ নাসরিন ইসলাম জুই শাখে বেজে ওঠে পাখিদের তান নিরন্তর শ্রবণে তা জুড়ায় প্রাণ, চাঁদ বলে যাই যাই রাত বলে বাই পূব আকাশের বুকে রবির মেলে ঠাঁই। সময়ের দোলাচলে
বল, শুধু-ই কি অকারণ?ঝরছে অবিরাম বর্ষণ।আলো-আঁধারির এই সন্ধ্যাতারায়মন আজ তাই শুধু দিশা হারায়। মেঘে ঢাকা চাঁদের এই অলংকারেচল না যাই চলে মোহনার সুদূরে।জ্যোৎস্না রাতের বুঝি এই নীড়েব্যথার মালঞ্চ যায় দূরে
সবুজ মাঠের মাঝে আমার ছোট্ট গ্রাম, পুকুরঘাটে বাজে নূপুরের মতো নাম। সকালে পাখিরা গায় ঘুম ভাঙানো গান, মায়ের হাতে মিষ্টি পিঠার মধুর ঘ্রাণ। বিকেলে মাঠে ছেলেরা খেলে ফুটবল, গাছের ছায়ায়
“বর্ষার নদনদী” অরবিন্দ সরকার বহরমপুর,মুর্শিদাবাদ। গঙ্গা পদ্মা দামোদর মেঘনা যমুনা, ময়ূরাক্ষী ফুলে ফেঁপে অজয়ে ভাবনা, ভাঙাগড়া তার খেলা,হারায় ঠিকানা, বালি কাঁকর পাথর ঠেলে আবর্জনা। নদীর পাড়ে আস্তানা,ভাঙে বারবার, চোখের সামনে
“জিবন ভাঙবেই!!!”/আমির হোসেন আমি আমার জিবনের চলার পথে, উত্থানের ও সাক্ষী আবার – পতনেরও!! জিবনে চলার বাঁকে বাঁকে সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ আসে – যায় সব সময় জিবন ডিঙ্গি নৌকা তাই!