
পৃথিবীর সবকিছু মানবদের দর্শন আর, তার শাশ্বত বাণী কিন্তু এক। তারা চায় মানব জাতির কল্যান। মানবের দুঃখ মুক্তি। তাই মহা মানবগন শত শত বছর ধরে ধ্যান সাধনায় নিয়োজিত থেকে মানবের হিত কল্যানের পথ খূঁজেছেন। পেয়েছেন ও বটে। তাই তারা মানব জাতির দুঃখ মুক্তির উপায় হিসাবে আমাদের জন্য কিছু শৃঙ্খলা বদ্ধ নীতি নৈতিকতা রেখে গেছেন।যেমন- চুরি ডাকাতি না করা, খুন খারাপি অপহরণ না করে প্রাণী হত্যা থেকে বিরত থাকা, মিথ্যা অপ্রলাপ থেকে বিরত থাকা। নারীদের সম্মাান ক্ষুন্ন হয় এমন কর্ম না করা। নেশাদ্রব্য সেবন করে হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে মাতলামি না করা। এগুলো প্রতিটি মহা মানব এর আর্দশের পরিপন্থী। তারপরও সমাজের কিছু কিছু মানুষ এগুলো চর্চায় অবিরত নিয়োজিত আছে। কারন ওরা সৎ আর ভালো মানুষের সংস্পর্শে যেতে চায় না। কারন চোরে না শুনে ধর্মের কাহিনী। তাই সৎ ও শিক্ষিত মানুষের সঙ্গ ওদের পছন্দ হয় না। আমার চোখে দেখা অল্প কিছু দিন আগের কথা। কিছু সৎ মানুষ, মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এক মহান কর্মযজ্ঞ হাতে নিয়ে ছিল। তাদের এই মহৎ কর্মযজ্ঞ বানচাল করার জন্য, কিছু কুচক্রী মহল তাদের এই মহৎ কর্মযজ্ঞ কে ধ্বংস করে দিল। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই তাদের পতন শুরু হল।
এমন কি তাদের মধ্যে ২/১ জন অলরেডি পতনের দার প্রান্তে। কথায় আছে না ধর্মের ঢোল আপনা বাজে। বরং তারা অজ্ঞান আর মুর্খতার ভেড়া জালে নিজেকে জড়িয়ে রাখে। বিশেষ করে বড়ুয়া’রা তাদের মধ্যে অন্যতম। কারন বড়ুয়া ‘রা বিহার কেন্দ্রীক নেতা হতে চায়। এর বাহিরে তাদের যোগ্যতার পরিচয় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। তারা সুযোগ সৃষ্টি করেও না। কারন তারা আত্ম কেন্দ্রীক।